




Previous
Next
Relative(Mother Side)




Previous
Next
Article
মোঃ জহুরুল ইসলাম বুলু
জজ
আইন মন্ত্রণালয়,
ঢাকা।
মোঃ জহুরুল ইসলাম বুলু ভাই দুর সম্পর্কের চাচাতো ভাই এবং অপরদিকে আমার মামাতো দুলাভাই। দুই দিক থেকে আত্মীয় হওয়ায় তাঁর প্রতি আমার ভালবাসা ও সম্মান একটু বেশী। তিনি একজন সৎ প্রকৃতির উচ্চ মনের মানুষ। ব্যক্তিগত জীবনে একজন সফল ব্যক্তি ও কর্মজীবনে একজন সফল জজ। তাঁর কর্মজীবনের সফলতা সকলের মুখে শোনা যায়। তিনি একজন পরোপকারী ব্যক্তি।
আমি তখন কলেজ জীবনের ছাত্র সম্ভব্য ১৯৮৫ সালের অক্টোবর মাসের দিকে বুলু ভাই কর্মস্থল সাতক্ষীরায় বেড়াতে গিয়েছিলাম। তাঁর আন্তরিকতা ও অতিথি আপ্যায়ন ছিল লক্ষ্য করার মতো। আমার মামাতো বোন বেবী আপা তাঁর স্ত্র্রী। তাঁর ব্যবহার, অতিথি আপ্যায়ন সম্পর্কে লিখে শেষ করা যাবে না। তাঁদের একমাত্র মেয়ে তুলতুল খুব সুন্দর একটা মেয়ে। আমি তাঁদের জন্য দোয়া করছি।
মোঃ জহুরুল ইসলাম বুলু ভাই দুর সম্পর্কের চাচাতো ভাই এবং অপরদিকে আমার মামাতো দুলাভাই। দুই দিক থেকে আত্মীয় হওয়ায় তাঁর প্রতি আমার ভালবাসা ও সম্মান একটু বেশী। তিনি একজন সৎ প্রকৃতির উচ্চ মনের মানুষ। ব্যক্তিগত জীবনে একজন সফল ব্যক্তি ও কর্মজীবনে একজন সফল জজ। তাঁর কর্মজীবনের সফলতা সকলের মুখে শোনা যায়। তিনি একজন পরোপকারী ব্যক্তি।
আমি তখন কলেজ জীবনের ছাত্র সম্ভব্য ১৯৮৫ সালের অক্টোবর মাসের দিকে বুলু ভাই কর্মস্থল সাতক্ষীরায় বেড়াতে গিয়েছিলাম। তাঁর আন্তরিকতা ও অতিথি আপ্যায়ন ছিল লক্ষ্য করার মতো। আমার মামাতো বোন বেবী আপা তাঁর স্ত্র্রী। তাঁর ব্যবহার, অতিথি আপ্যায়ন সম্পর্কে লিখে শেষ করা যাবে না। তাঁদের একমাত্র মেয়ে তুলতুল খুব সুন্দর একটা মেয়ে। আমি তাঁদের জন্য দোয়া করছি।
মিসেস জ্যোতি
ওয়াশিংটন,
U.S.A.
ও
চিলাহাটী, নীলফামারী
আমার মামাতো বোন জ্যোতি। বাড়ী চিলহাটী নীলফামারী জেলায়। আমি যখন ছোট ছিলাম অর্থ্যাৎ প্রাইমারী স্কুলের ছাত্র তখন প্রথম বার বাবার সাথে মামা বাড়ী চিলাহাটি গিয়েছিলাম। সে অনেকদিন আগের কথা সম্ভব্য ১৯৮০ সালের কোন এক বসন্তে। ঠিক তখনই বসন্তের কোকিলের মতো সে আমার জীবনে এসেছিল। তারপর অনেকদিন, অনেক বছর পর দেখা হলো রাজশাহী সরকারী কলেজে। সেখানে জ্যোতি
অনার্সে পড়ে। আমি রাজশাহী বিআইটিতে মাত্র ২য় বর্ষের ছাত্র। একদিন হঠাৎ হারিয়ে গেল জ্যোতি শুনতে পেলাম তার বিয়ে হয়েছে এক পুলিশ অফিসারের সাথে। সুতরাং পড়াশুনা এ পর্যন্ত সমাপ্তি। তারপর ডিভি ভিসা পেয়ে আমেরিকা প্রবাসী থাকেন ওয়াশিংটন ডিসিতে। আসতে আসতে জ্যোতি চোখের আড়ালে থেকে হারিয়ে গেল। এখন মন থেকে হারিয়ে যাওয়ার পথে। আমি তার শুভ কামনা করছি।
আমার মামাতো বোন জ্যোতি। বাড়ী চিলহাটী নীলফামারী জেলায়। আমি যখন ছোট ছিলাম অর্থ্যাৎ প্রাইমারী স্কুলের ছাত্র তখন প্রথম বার বাবার সাথে মামা বাড়ী চিলাহাটি গিয়েছিলাম। সে অনেকদিন আগের কথা সম্ভব্য ১৯৮০ সালের কোন এক বসন্তে। ঠিক তখনই বসন্তের কোকিলের মতো সে আমার জীবনে এসেছিল। তারপর অনেকদিন, অনেক বছর পর দেখা হলো রাজশাহী সরকারী কলেজে। সেখানে জ্যোতি
অনার্সে পড়ে। আমি রাজশাহী বিআইটিতে মাত্র ২য় বর্ষের ছাত্র। একদিন হঠাৎ হারিয়ে গেল জ্যোতি শুনতে পেলাম তার বিয়ে হয়েছে এক পুলিশ অফিসারের সাথে। সুতরাং পড়াশুনা এ পর্যন্ত সমাপ্তি। তারপর ডিভি ভিসা পেয়ে আমেরিকা প্রবাসী থাকেন ওয়াশিংটন ডিসিতে। আসতে আসতে জ্যোতি চোখের আড়ালে থেকে হারিয়ে গেল। এখন মন থেকে হারিয়ে যাওয়ার পথে। আমি তার শুভ কামনা করছি।
মিস লাকী ও রোমা
চিলাহাটি,
নীলফামারী।
মিস লাকী ও মিস রোমা আমার মামাতো বোন। থাকেন নীলফামারীর চিলাহাটিতে। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যায় (বিআইটি) তে পড়া কালিন সময় আমার এই মামা বাড়ী প্রায় বেড়াতে যেতাম। সেই ১৯৯০ থেকে ১৯৯২
সালের সময়। তখন লাকী ও রোমাকে দেখেছি খুব কাছ থেকে। তাহাদের আন্তরিকতা ব্যবহার ও অতিথি আপ্যায়নতা সত্যই মুগ্ধ করার মত। তাই তো সৃষ্টিকর্তা পরবর্তীতে তাহাদের জীবনে খুব সুন্দর জীবন সঙ্গী সংগ্রহ করে দিয়েছেন। লাকী পেয়েছেন কৃষিবিদ ও রোমা পেয়েছে ধনী ব্যবসায়ী।
আমি তাহাদের জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে সুখ ও শান্তি কমনা করছি।
মিস লাকী ও মিস রোমা আমার মামাতো বোন। থাকেন নীলফামারীর চিলাহাটিতে। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যায় (বিআইটি) তে পড়া কালিন সময় আমার এই মামা বাড়ী প্রায় বেড়াতে যেতাম। সেই ১৯৯০ থেকে ১৯৯২
সালের সময়। তখন লাকী ও রোমাকে দেখেছি খুব কাছ থেকে। তাহাদের আন্তরিকতা ব্যবহার ও অতিথি আপ্যায়নতা সত্যই মুগ্ধ করার মত। তাই তো সৃষ্টিকর্তা পরবর্তীতে তাহাদের জীবনে খুব সুন্দর জীবন সঙ্গী সংগ্রহ করে দিয়েছেন। লাকী পেয়েছেন কৃষিবিদ ও রোমা পেয়েছে ধনী ব্যবসায়ী।
আমি তাহাদের জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে সুখ ও শান্তি কমনা করছি।
মিসেস শিউলী
(১৯৮৪-৮৫)
১৯৮৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের সকাল, স্কুলের পাঠ শেষ করে বেড়াতে এলাম খালা বাড়ী কামারখালীতে। এখানেই এক দুর সম্বর্কের বোনকে দেখে মুগ্ধ হলাম। তার নাম নীনা। নীনার মাথায় চুল পশমের মত নরম যেন তুলি দিয়ে আকা দুটি চোখ। তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতাম: নীনাকে নিয়ে ছোট একটি ঘরে সারাটা জীবন কাটিয়ে দিচ্ছি। নীনার সঙ্গে কথা বলতে বলতে মনের মধ্যে নেশা ধরে যায়। একটু চোখের আড়াল হলে অস্থির হয়ে উঠতাম। কিন্তু প্রচন্ড লাজুক ছিলাম। তাই মুখ ফুটে সব কথা বলা সম্ভব নয়। শুধু বললাম নীনা তুমি কি সুন্দরী। তাই নাকি? বলে হাসতে হাসতে ছুটে চলে যায় সে। একটি রাত্রে, খালাতো ভাই অনু জিজ্ঞাসা করে, তুমি কি নীনাকে ভালবাস ? নীচু গলায় জবাব দিই – দারুন ভাবে ভালবাসি। কি রকম ?
আমি ওকে সর্বক্ষণ দেখতে চাই। ওর কথা শুনতে চাই- শুধু এইটুকু।
হেসে ওঠেন অনু। আমি হলে প্রথম চুমু খেতাম আঙ্গুলে, তারপরে চোখে, ঠোটে পায়ে ………….. শিউরে ওঠে সমস্ত শরীর। চুপ হয়ে যাই। কিন্তু এর প্রতিবাদী হয়ে উঠেন আমারই খালাতো বোন ‘শিউলী’ । নীনার সাথে কথা বললেই মাথায় রক্ত ওঠে যায় তার। একদিন শিউলী বলে, তুমি কেন নীনার সাথে গল্প কর ও ভাল মেয়ে না।
বা-রে ওরাও তো আমার বন্ধু। না, কেউ তোমার বন্ধু নয়। শুধু আমি। বললেই হল, এ সম্পর্ক আমি মানি না। সোজাসুজি বলে, আমাদের বাড়ীতে এসব চলবে না। আমিও বাড়ী ফিরে আসি। তখন শুধুই মনে হয় সুখের মুহুর্ত শেষ হয়ে গেল বুঝি। দিন যায় নীনাকে ভোলার চেষ্টা করি।
১৯৮৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের সকাল, স্কুলের পাঠ শেষ করে বেড়াতে এলাম খালা বাড়ী কামারখালীতে। এখানেই এক দুর সম্বর্কের বোনকে দেখে মুগ্ধ হলাম। তার নাম নীনা। নীনার মাথায় চুল পশমের মত নরম যেন তুলি দিয়ে আকা দুটি চোখ। তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতাম: নীনাকে নিয়ে ছোট একটি ঘরে সারাটা জীবন কাটিয়ে দিচ্ছি। নীনার সঙ্গে কথা বলতে বলতে মনের মধ্যে নেশা ধরে যায়। একটু চোখের আড়াল হলে অস্থির হয়ে উঠতাম। কিন্তু প্রচন্ড লাজুক ছিলাম। তাই মুখ ফুটে সব কথা বলা সম্ভব নয়। শুধু বললাম নীনা তুমি কি সুন্দরী। তাই নাকি? বলে হাসতে হাসতে ছুটে চলে যায় সে। একটি রাত্রে, খালাতো ভাই অনু জিজ্ঞাসা করে, তুমি কি নীনাকে ভালবাস ? নীচু গলায় জবাব দিই – দারুন ভাবে ভালবাসি। কি রকম ?
আমি ওকে সর্বক্ষণ দেখতে চাই। ওর কথা শুনতে চাই- শুধু এইটুকু।
হেসে ওঠেন অনু। আমি হলে প্রথম চুমু খেতাম আঙ্গুলে, তারপরে চোখে, ঠোটে পায়ে ………….. শিউরে ওঠে সমস্ত শরীর। চুপ হয়ে যাই। কিন্তু এর প্রতিবাদী হয়ে উঠেন আমারই খালাতো বোন ‘শিউলী’ । নীনার সাথে কথা বললেই মাথায় রক্ত ওঠে যায় তার। একদিন শিউলী বলে, তুমি কেন নীনার সাথে গল্প কর ও ভাল মেয়ে না।
বা-রে ওরাও তো আমার বন্ধু। না, কেউ তোমার বন্ধু নয়। শুধু আমি। বললেই হল, এ সম্পর্ক আমি মানি না। সোজাসুজি বলে, আমাদের বাড়ীতে এসব চলবে না। আমিও বাড়ী ফিরে আসি। তখন শুধুই মনে হয় সুখের মুহুর্ত শেষ হয়ে গেল বুঝি। দিন যায় নীনাকে ভোলার চেষ্টা করি।
Relative(Mother Side)





Previous
Next
Photo
- Khala Bari, Magura–6380(40)
- Khala Bari,Magura–6380(41)
- Khala Bari ,Kamarkhali–6380(42)
- Minu, Kamarkhali-6380(43)
- Relative Horiranpur Kushtia-6380(44)
- Mama Bari, Chilahati -6380(48)
- Relative-Grand Father Kaligong–6380(63)
- Father-in-Law of Sony, Jhenidah -6380(64)
- Parent Side of Shabnam, Sailkupa–6380(66)
- Cousin of Shabnam Katlagari-6380(67)