









Previous
Next
M.Hossain





Previous
Next
Certificate
Article
Document
মোছাঃ মাতোয়ারা পারভীন ড্রথী
লক্ষীপুর, কুষ্টিয়া।
(১৯৮৪- শেষ পর্যন্ত)।
মোছাঃ মাতোয়ারা পারভীন ড্রথী এর জন্ম স্থান বিপ্রবগদিয়া গ্রামে, শৈলকুপা উপজেলায় ১৯৬৮ সালে। সে ছিল আমারই ক্লাস মেট তবে ১৯৮৫ সালের জানুয়ারী মাসের
৬ই তারিখে প্রথম সাধুহাটি গিয়েছিলাম বাবার সাথে ‘ড্রথী’ ভাবীকে আমাদের বাড়ীর ‘বড় বৌ’ করে আনার জন্য। অর্থাৎ সে আমারই বড় ভাই মাহমুদ হোসেন বাবলুর স্ত্রী অর্থ্যাৎ বড় ভাবী।
প্রথম যে দিন অর্থ্যাৎ বড় ভাইয়ের বিয়ের আসরে দেখি তখন মনে হয়েছিল পৃথিবীতে এত সুন্দর মেয়ে মানুষ হয়তো প্রথম দেখলাম। কারণ এত সুন্দর ব্যবহার, মার্জিত কথা বার্তা, আমাদের প্রতি স্নেহ মায়া-মমতা সবই খুব সুন্দর প্রকৃতি। আমাদের বাড়ীর বড় বৌ হিসাবে ঠিকই নিজেকে স্থান করে নিয়েছে।
১৫ই জানুয়ারী ১৯৮৫ সালে প্রথম সন্তান ইমরানকে জন্ম দিতে গিয়ে তাহার ঐ.ঝ.ঈ পরীক্ষা
দেওয়া হলো না। পরবর্তীতে বিশাল সংসারের দায়িত্ব নিজে হাতে সামলাতে গিয়ে অনেক প্রতিকূলতায় পড়তে হয়। ২৯ শে
সেপ্টেম্বর ২০০৫ সালে হঠাৎ তার স্বামী মাহমুদ হোসেন বাবলুকে হারাতে হয়। একমাত্র ছেলে ইমরানকে সঠিক ভাবে মানুষের মতো বড় না করতে পারা, বিভিন্ন সময় নিকট
আত্মীয়দের হারানো ব্যথা- সবকিছুই তার জীবনকে ব্যথিত করে ফেলে।
এই প্রতিকুলতার মধ্যে ইমরান ৮-ই মার্চ ২০১২ সালে সাতক্ষীরার মেয়ে লিমাকে বিয়ে করে ফেলে।
সবকিছু বিবেচনা করে দেখা যায় ড্রথী ভাবীর জীবন অত্যন্ত
প্রতিকূলতার মধ্যে কাটাতে হচ্ছে। আজ এই স্মৃতি চারণ পর্বে মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট তার পরবর্তী জীবন সুখের হোক এই কামনা করে শেষ করছি।
মোছাঃ মাতোয়ারা পারভীন ড্রথী এর জন্ম স্থান বিপ্রবগদিয়া গ্রামে, শৈলকুপা উপজেলায় ১৯৬৮ সালে। সে ছিল আমারই ক্লাস মেট তবে ১৯৮৫ সালের জানুয়ারী মাসের
৬ই তারিখে প্রথম সাধুহাটি গিয়েছিলাম বাবার সাথে ‘ড্রথী’ ভাবীকে আমাদের বাড়ীর ‘বড় বৌ’ করে আনার জন্য। অর্থাৎ সে আমারই বড় ভাই মাহমুদ হোসেন বাবলুর স্ত্রী অর্থ্যাৎ বড় ভাবী।
প্রথম যে দিন অর্থ্যাৎ বড় ভাইয়ের বিয়ের আসরে দেখি তখন মনে হয়েছিল পৃথিবীতে এত সুন্দর মেয়ে মানুষ হয়তো প্রথম দেখলাম। কারণ এত সুন্দর ব্যবহার, মার্জিত কথা বার্তা, আমাদের প্রতি স্নেহ মায়া-মমতা সবই খুব সুন্দর প্রকৃতি। আমাদের বাড়ীর বড় বৌ হিসাবে ঠিকই নিজেকে স্থান করে নিয়েছে।
১৫ই জানুয়ারী ১৯৮৫ সালে প্রথম সন্তান ইমরানকে জন্ম দিতে গিয়ে তাহার ঐ.ঝ.ঈ পরীক্ষা
দেওয়া হলো না। পরবর্তীতে বিশাল সংসারের দায়িত্ব নিজে হাতে সামলাতে গিয়ে অনেক প্রতিকূলতায় পড়তে হয়। ২৯ শে
সেপ্টেম্বর ২০০৫ সালে হঠাৎ তার স্বামী মাহমুদ হোসেন বাবলুকে হারাতে হয়। একমাত্র ছেলে ইমরানকে সঠিক ভাবে মানুষের মতো বড় না করতে পারা, বিভিন্ন সময় নিকট
আত্মীয়দের হারানো ব্যথা- সবকিছুই তার জীবনকে ব্যথিত করে ফেলে।
এই প্রতিকুলতার মধ্যে ইমরান ৮-ই মার্চ ২০১২ সালে সাতক্ষীরার মেয়ে লিমাকে বিয়ে করে ফেলে।
সবকিছু বিবেচনা করে দেখা যায় ড্রথী ভাবীর জীবন অত্যন্ত
প্রতিকূলতার মধ্যে কাটাতে হচ্ছে। আজ এই স্মৃতি চারণ পর্বে মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট তার পরবর্তী জীবন সুখের হোক এই কামনা করে শেষ করছি।
মাহমুদ ইমরান
লক্ষীপুর
চৌরঙ্গী বাজার, কুষ্টিয়া।
মাহমুদ ইমরানের জম্ম কুষ্টিয়া জেলায় লক্ষীপুর গ্রামে ১৭-০৭-১৯৮৭ সালে। পিতার নাম মরহুম মাহমুদ হোসেন আর মাতার নাম মতোয়ারা বেগম ড্রথী। উভয়ের একমাত্র সন্তান হওয়ায়
অত্যাধিক আদর ও যতেœ ছেলেটি মানুষ হয়। ১৯৮৭ সালে প্রথম সন্তান ইমরানকে জন্ম দিতে গিয়ে ড্রথী ভাবীর H.S.C পরীক্ষা দেওয়া হলো না। পরবর্তীতে বিশাল সংসারের দায়িত্ব নিজে হাতে সামলাতে গিয়ে অনেক প্রতিকূলতায় পড়তে হয়। একমাত্র
ছেলে ইমরানকে সঠিক ভাবে মানুষের মতো বড় না করতে পারা, বিভিন্ন সময় নিকট আত্মীয়দের হারানো ব্যথা- সবকিছুই তার জীবনকে ব্যথিত করে ফেলে। বড় হওয়ার সাথে সাথে লেখাপড়ায় অ-মনোযোগী হয়ে পড়ে ফলে লেখাপড়ায় বেশীদুর আগাতে পারে নাই। মেট্রেক পর্যন্তই শেষ। পরবর্তীতে এলাকায় কিছু অসৎ সঙ্গের সাথে জড়িয়ে পরে পৌত্রিক সমস্ত জায়গা-জমি বিক্রিয় করে ফেলে ্এবং বিভিন্ন নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে। বহু
চেষ্টা করে সঠিক পথে ফিরানো সম্ভব্য হয় নাই। এমনই এক সময় মোবাইল ফোনে পরিচয় ঘটে সাতক্ষীরার একটি মেয়ের সাথে। নাম । দেখতে মুনতে খুবই ভাল এবং একাউন্টিং অনার্সের ৩য় বর্ষের ছাত্রী। পরবর্তীতে সম্পর্ক, ভালবাসা ও বিয়ে হয় এই প্রতিকুলতার মধ্যে ইমরান ৮-ই মার্চ ২০১২ সালে সাতক্ষীরার মেয়ে রুমা-ে
কে বিয়ে করে ফেলে।নতুন অতিথী বাড়ীতে এলেও ইমরানের খুব বেশী পরিবর্তন লক্ষ করা যায় নাই। অসৎ বন্ধুদেরূ সাথে একাধিক বার ব্যাবসা করতে গিয়ে সমস্ত অর্থ ও জমি শেষ করে ফেলে। এখন বাড়ীতে কর্মহীন অবস্থায় দিনপাত করছে। ইতেমধ্যে তাহাদের কোল জুড়ে একটা পুত্র সন্তান চলে এলো তাহার নাম ইমতিয়াজ রোহান, তার জম্ম হয় ০৩-০৮-২০১৫ রোজ রবিবার।
আমি তাহার সুন্দর জীবন কমনা করে আল্লাহুর পাক দরবারে দোয়া করছি।
মাহমুদ ইমরানের জম্ম কুষ্টিয়া জেলায় লক্ষীপুর গ্রামে ১৭-০৭-১৯৮৭ সালে। পিতার নাম মরহুম মাহমুদ হোসেন আর মাতার নাম মতোয়ারা বেগম ড্রথী। উভয়ের একমাত্র সন্তান হওয়ায়
অত্যাধিক আদর ও যতেœ ছেলেটি মানুষ হয়। ১৯৮৭ সালে প্রথম সন্তান ইমরানকে জন্ম দিতে গিয়ে ড্রথী ভাবীর H.S.C পরীক্ষা দেওয়া হলো না। পরবর্তীতে বিশাল সংসারের দায়িত্ব নিজে হাতে সামলাতে গিয়ে অনেক প্রতিকূলতায় পড়তে হয়। একমাত্র
ছেলে ইমরানকে সঠিক ভাবে মানুষের মতো বড় না করতে পারা, বিভিন্ন সময় নিকট আত্মীয়দের হারানো ব্যথা- সবকিছুই তার জীবনকে ব্যথিত করে ফেলে। বড় হওয়ার সাথে সাথে লেখাপড়ায় অ-মনোযোগী হয়ে পড়ে ফলে লেখাপড়ায় বেশীদুর আগাতে পারে নাই। মেট্রেক পর্যন্তই শেষ। পরবর্তীতে এলাকায় কিছু অসৎ সঙ্গের সাথে জড়িয়ে পরে পৌত্রিক সমস্ত জায়গা-জমি বিক্রিয় করে ফেলে ্এবং বিভিন্ন নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে। বহু
চেষ্টা করে সঠিক পথে ফিরানো সম্ভব্য হয় নাই। এমনই এক সময় মোবাইল ফোনে পরিচয় ঘটে সাতক্ষীরার একটি মেয়ের সাথে। নাম । দেখতে মুনতে খুবই ভাল এবং একাউন্টিং অনার্সের ৩য় বর্ষের ছাত্রী। পরবর্তীতে সম্পর্ক, ভালবাসা ও বিয়ে হয় এই প্রতিকুলতার মধ্যে ইমরান ৮-ই মার্চ ২০১২ সালে সাতক্ষীরার মেয়ে রুমা-ে
কে বিয়ে করে ফেলে।নতুন অতিথী বাড়ীতে এলেও ইমরানের খুব বেশী পরিবর্তন লক্ষ করা যায় নাই। অসৎ বন্ধুদেরূ সাথে একাধিক বার ব্যাবসা করতে গিয়ে সমস্ত অর্থ ও জমি শেষ করে ফেলে। এখন বাড়ীতে কর্মহীন অবস্থায় দিনপাত করছে। ইতেমধ্যে তাহাদের কোল জুড়ে একটা পুত্র সন্তান চলে এলো তাহার নাম ইমতিয়াজ রোহান, তার জম্ম হয় ০৩-০৮-২০১৫ রোজ রবিবার।
আমি তাহার সুন্দর জীবন কমনা করে আল্লাহুর পাক দরবারে দোয়া করছি।
Drothi





Previous
Next
Personal Photo
- M.Husain Single Photo-2080(1)
- M. Husain Best (Smart) Photo-2080(2)
- M. Husain Passport Size-2080(3)
- M. Husain Special Photo-2080(4)
- Drothi Bhabi Single Photo-2180(1)
- Drothi Bhabi Best (Sweet) Photo-2180(2)
- Drothi Bhabi Passport Size-2180(3)
- Drothi Bhabi Special Photo-2180(4)
- M,Hossain & Drothi Bhabi Cutting Photo-2080(19)
Marrage, & Birth-Day Photo
Self Family Photo
Parent Family (War ash) Photo
General Photo