






Previous
Next
Relative(Father Side)










Previous
Next
Article
প্রফেসর মাহাতাব উদ্দিন সরকার
প্রিন্সিপল ও ট্রেজার (সাবেক)
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
(১৯৮৪- শেষ পর্যন্ত)
মাহাতাব উদ্দিন সরকার আমার ফুপাতো দুলাভাই হলেও তিনি ছিলেন আমার কলেজ জীবনের শিক্ষক ও আদর্শের প্রতিক। স্বভাবতঃ কারনে তাহার প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালবাসা একটু বেশী। তাহার শিক্ষায় আমি আলোকিত হয়ে আজ সমাজে একজন দক্ষ প্রকৌশলী
হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। সত্য কথা বলতে তাঁর মত শিক্ষকের তুলনা একমাত্র তিনি নিজেই।
তিনি ছিলেন একজন প্রফেসর অন্যদিকে বিভিন্ন সরকারী কলেজ এর প্রিন্সিপাল।
তারপর ইসলমাী বিশ্ববিদ্যালয় এর ট্রেজারার। চাকুরী জীবন শেষে আমেরিকার প্রবাসী জীবনে অভ্যস্থান হন।
বেবী আপা তাহার স্ত্রী ছিলেন আমার ফুপাতো বোন। তিনি ছিলেন একজন আদর্শ মা ও গৃহিনী। আমার
কলেজ জীবনের অনেক অংশ কেটেছে আমার এই বোন-দুলাভাই এর বাসায়। যার স্মৃতি আমার জীবনের একটা বড় অংশ। ক্যালেন্ডারের পাতা পিছনের দিকে উল্টালে একটা স্মৃতি আমাকে নাড়া দেয় কলেজ জীবনে প্রতিদিন রাত ১২ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত আমি ক্যামিস্ট্রি পড়তে যেতাম দুলাভাই এর কাছে রুণী ও পিটুর সাথে। সে এক অন্যরকম স্মৃতি। আজ আমি তাহাকে স্মরণ করে তাহার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন পূর্বক স্মৃতি চারণ করছি।
মাহাতাব উদ্দিন সরকার আমার ফুপাতো দুলাভাই হলেও তিনি ছিলেন আমার কলেজ জীবনের শিক্ষক ও আদর্শের প্রতিক। স্বভাবতঃ কারনে তাহার প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালবাসা একটু বেশী। তাহার শিক্ষায় আমি আলোকিত হয়ে আজ সমাজে একজন দক্ষ প্রকৌশলী
হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। সত্য কথা বলতে তাঁর মত শিক্ষকের তুলনা একমাত্র তিনি নিজেই।
তিনি ছিলেন একজন প্রফেসর অন্যদিকে বিভিন্ন সরকারী কলেজ এর প্রিন্সিপাল।
তারপর ইসলমাী বিশ্ববিদ্যালয় এর ট্রেজারার। চাকুরী জীবন শেষে আমেরিকার প্রবাসী জীবনে অভ্যস্থান হন।
বেবী আপা তাহার স্ত্রী ছিলেন আমার ফুপাতো বোন। তিনি ছিলেন একজন আদর্শ মা ও গৃহিনী। আমার
কলেজ জীবনের অনেক অংশ কেটেছে আমার এই বোন-দুলাভাই এর বাসায়। যার স্মৃতি আমার জীবনের একটা বড় অংশ। ক্যালেন্ডারের পাতা পিছনের দিকে উল্টালে একটা স্মৃতি আমাকে নাড়া দেয় কলেজ জীবনে প্রতিদিন রাত ১২ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত আমি ক্যামিস্ট্রি পড়তে যেতাম দুলাভাই এর কাছে রুণী ও পিটুর সাথে। সে এক অন্যরকম স্মৃতি। আজ আমি তাহাকে স্মরণ করে তাহার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন পূর্বক স্মৃতি চারণ করছি।
মাহাফুজুল ইসলাম
M.Sc. Physics, M.Sc Texas.
U.S.A
(১৯৭৫-শেষ পর্যন্ত)
মাহাফুজুল ইসলাম রুনী সরকার আমার ফুপাতো বোনের ছেলে অর্থ্যাৎ ভাগ্নে হলেও ওর সাথে আমার সবচেয়ে বড় সম্পর্ক বন্ধু হিসেবে। কারণ আমরা দুজনে একই ক্লাসে পড়তাম। আত্মীয় ও বন্ধু হওয়ার কারণে আন্তরিকতা, ভালবাসা ও বন্ধুত্ব সব মিলিয়ে সম্পর্ক
এত বেশী গাঢ় ছিল যে শিক্ষা জীবনে সে ছিল আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড। তাকে আত্মীয় চেয়ে বন্ধু হিসেবে পরিচয় দিতে বেশী ভাল লাগে। যাইহোক সে আমাকে আলম মামু বলে ডাকে। এই রুনী অল্প দিনে ক্লাসে দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করে কারণ
তার মতো বিনয়ী ব্যবহার, চমৎকার হাসি খুশি ও অসম্ভব ভালছাত্র যে কারোর মন জয় করার ক্ষমতা রাখে। মানুষকে ভালবাসার এক অদ্ভুত ক্ষমতা সৃষ্টিকর্তা তাকে দিয়েছেন।
ওর জন্ম হয়েছিল কুষ্টিয়াতে ১লা জানুয়ারী ১৯৭০। পিতা প্রফেসর মাহাতাব উদ্দিন সরকার ছিলেন সরকারী কলেজ এর প্রিন্সিপাল এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টার। তিনি সমাজে একজন সৎ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।
রুনি সরকার ঝ.ঝ.ঈ ও ঐ.ঝ.ঈ তে খুব ভাল রেজাল্ট করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে চযুংরপং এ গ.ঝপ. ডিগ্রী লাভ করেন। তারপর
উঠ-৯৬ পেয়ে আমেরিকায় ডালাসে চলে যান। সেখানে পুনরায় গ.ঝপ. ডিগ্রী লাভ করে স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। শশুড়বাড়ী ফরিদপুর হলেও সপরিবারে আমেরিকায় প্রবাসী জীবন যাপন করেন।
অবস্থান গত কারণে দুই জন দুই মহাদেশে থাকলেও তার প্রতি আমার হৃদয়ের ভালবাসা, বন্ধুত্ব একটুও নষ্ট হয়নি। বরং পৃথিবীর দুই প্রান্তের দুই মানুষকে একত্রে একাকার করে দিয়েছে। তার প্রতি আমার কামনা
মাহাফুজুল ইসলাম রুনী সরকার আমার ফুপাতো বোনের ছেলে অর্থ্যাৎ ভাগ্নে হলেও ওর সাথে আমার সবচেয়ে বড় সম্পর্ক বন্ধু হিসেবে। কারণ আমরা দুজনে একই ক্লাসে পড়তাম। আত্মীয় ও বন্ধু হওয়ার কারণে আন্তরিকতা, ভালবাসা ও বন্ধুত্ব সব মিলিয়ে সম্পর্ক
এত বেশী গাঢ় ছিল যে শিক্ষা জীবনে সে ছিল আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড। তাকে আত্মীয় চেয়ে বন্ধু হিসেবে পরিচয় দিতে বেশী ভাল লাগে। যাইহোক সে আমাকে আলম মামু বলে ডাকে। এই রুনী অল্প দিনে ক্লাসে দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করে কারণ
তার মতো বিনয়ী ব্যবহার, চমৎকার হাসি খুশি ও অসম্ভব ভালছাত্র যে কারোর মন জয় করার ক্ষমতা রাখে। মানুষকে ভালবাসার এক অদ্ভুত ক্ষমতা সৃষ্টিকর্তা তাকে দিয়েছেন।
ওর জন্ম হয়েছিল কুষ্টিয়াতে ১লা জানুয়ারী ১৯৭০। পিতা প্রফেসর মাহাতাব উদ্দিন সরকার ছিলেন সরকারী কলেজ এর প্রিন্সিপাল এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টার। তিনি সমাজে একজন সৎ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।
রুনি সরকার ঝ.ঝ.ঈ ও ঐ.ঝ.ঈ তে খুব ভাল রেজাল্ট করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে চযুংরপং এ গ.ঝপ. ডিগ্রী লাভ করেন। তারপর
উঠ-৯৬ পেয়ে আমেরিকায় ডালাসে চলে যান। সেখানে পুনরায় গ.ঝপ. ডিগ্রী লাভ করে স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। শশুড়বাড়ী ফরিদপুর হলেও সপরিবারে আমেরিকায় প্রবাসী জীবন যাপন করেন।
অবস্থান গত কারণে দুই জন দুই মহাদেশে থাকলেও তার প্রতি আমার হৃদয়ের ভালবাসা, বন্ধুত্ব একটুও নষ্ট হয়নি। বরং পৃথিবীর দুই প্রান্তের দুই মানুষকে একত্রে একাকার করে দিয়েছে। তার প্রতি আমার কামনা
হে বন্ধু তুমি যত দূরেই থাক না আমি কখনও তোমাকে ভুলব না। যত আমাকে আঘাত করবে আমি তত তোমাকে ভালবাসবো তুমিই আমার জীবনে শ্রেষ্ঠ বন্ধু।

মিস শারমীন নাহার
আইটি বিশেষজ্ঞ
সিডনী, অষ্ট্রেলিয়া।
মিসেস শারমীন নাহার শর্মী, সম্পর্কে আমার ফুপাত বোনের মেয়ে অর্থ্যাৎ ভাগ্নি। আমি যখন কলেজ এর ছাত্র, তখন শর্মী স্কুলের ছাত্রী।
কলেজ জীবনে বোনের বাসায় থাকা কালীন সময় শর্মীকে দেখেছি খুব কাছ থেকে। সে
ছিল অত্যন্ত ভদ্র এবং সুন্দর মনের অধিকারিনী একটি মেয়ে। পড়াশুনায় বেশ ভাল ছিল তাই তার কৃতিত্বের শেষ ছিল না। তাহার আচার আচরনে কখনই অহংকার প্রকাশ পায়নি। ইউনিভার্সিটির পাঠ শেষ করে অবশেষে ঠাঁই হলো অষ্ট্রেলিয়ার সিডনী নগরীতে। দীর্ঘ দিন সিডনিতে বসবাস করার কারণে অষ্ট্রোলিয়ার নাগরিকত্ব লাভ করে এবং নিজেকে তিনি সেখানে সু-প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন যা
প্রশংসার দাবিদার। আজ এই স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে একটা কথাই বলবো, মহান সৃষ্টিকর্তা তাকে যেন ভাল রাখেন, সে যেখানেই থাকুক না।”
মিসেস শারমীন নাহার শর্মী, সম্পর্কে আমার ফুপাত বোনের মেয়ে অর্থ্যাৎ ভাগ্নি। আমি যখন কলেজ এর ছাত্র, তখন শর্মী স্কুলের ছাত্রী।
কলেজ জীবনে বোনের বাসায় থাকা কালীন সময় শর্মীকে দেখেছি খুব কাছ থেকে। সে
ছিল অত্যন্ত ভদ্র এবং সুন্দর মনের অধিকারিনী একটি মেয়ে। পড়াশুনায় বেশ ভাল ছিল তাই তার কৃতিত্বের শেষ ছিল না। তাহার আচার আচরনে কখনই অহংকার প্রকাশ পায়নি। ইউনিভার্সিটির পাঠ শেষ করে অবশেষে ঠাঁই হলো অষ্ট্রেলিয়ার সিডনী নগরীতে। দীর্ঘ দিন সিডনিতে বসবাস করার কারণে অষ্ট্রোলিয়ার নাগরিকত্ব লাভ করে এবং নিজেকে তিনি সেখানে সু-প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন যা
প্রশংসার দাবিদার। আজ এই স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে একটা কথাই বলবো, মহান সৃষ্টিকর্তা তাকে যেন ভাল রাখেন, সে যেখানেই থাকুক না।”
মুন্সী শাহাজাহান বাদশা
রেজিষ্টার (সাবেক)
ভূমি মন্ত্রণালয়, ঢাকা।
মুন্সী শাহাজাহান বাদশা- ভাই আমার মেঝে ফুপুর ছেলে। বাল্য জীবন কেটেছে দহকুলা গ্রামে। স্কুল কলেজ ও ইউনিভার্সিটি শেষ করে অনেক প্রতিকুল পরিবেশে বড় হয়ে সাব-রেজিষ্টার হিসাবে প্রথম জয়েন্ট করেন কুমরাখালীতে। সে অনেকদিন আগের কথা। সম্ভব্য ১৯৮০ সালে প্রথম পরিচয় ঘটে কুমারখালীতে। স্মার্ট, সুন্দর মনের অধিকারী আমার এই ভাইটি তখন থেকে আমার মনের মধ্যে স্থান করে নিয়েছেন। সময়ের ব্যবধানে তাঁকে যতবার দেখেছি ততবার মুগ্ধ হয়েছি।
তাঁর শেষ জীবনে ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন সহ প্রচুর সম্পদ এর অধিকারী এই মানুষটি অহংকার করার মতো যোগ্যতা রাখে।
তাঁর পারিবারিক জীবনে তিন মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে ডাক্তারী পড়েন যা অবশ্যই গর্বের বিষয়। পরম করুণাময় আল্লাহ পাক এর নিকট আমি পরবর্তী জীবনের জন্য দোয়া
মুন্সী শাহাজাহান বাদশা- ভাই আমার মেঝে ফুপুর ছেলে। বাল্য জীবন কেটেছে দহকুলা গ্রামে। স্কুল কলেজ ও ইউনিভার্সিটি শেষ করে অনেক প্রতিকুল পরিবেশে বড় হয়ে সাব-রেজিষ্টার হিসাবে প্রথম জয়েন্ট করেন কুমরাখালীতে। সে অনেকদিন আগের কথা। সম্ভব্য ১৯৮০ সালে প্রথম পরিচয় ঘটে কুমারখালীতে। স্মার্ট, সুন্দর মনের অধিকারী আমার এই ভাইটি তখন থেকে আমার মনের মধ্যে স্থান করে নিয়েছেন। সময়ের ব্যবধানে তাঁকে যতবার দেখেছি ততবার মুগ্ধ হয়েছি।
তাঁর শেষ জীবনে ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন সহ প্রচুর সম্পদ এর অধিকারী এই মানুষটি অহংকার করার মতো যোগ্যতা রাখে।
তাঁর পারিবারিক জীবনে তিন মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে ডাক্তারী পড়েন যা অবশ্যই গর্বের বিষয়। পরম করুণাময় আল্লাহ পাক এর নিকট আমি পরবর্তী জীবনের জন্য দোয়া
শামসুন নাহার
এম.এ (সমাজ বিজ্ঞান)
হোষ্টেল সুপার
ঋডঠঞও, নিপোর্ট
অনেক ছোট থেকে জানি ‘লালিয়া আপা’ আমার ফুপাতো বোন। তাহার শৈশব ও কৈশর কেটেছে গাছপালা আর লতাপাতা ঘেরা দহকুলা গ্রামে। বড় হয়েছেন কুষ্টিয়া জেলায়। একমাত্র ভাই মুন্সি শাহাজাহান বাদশা রেজিষ্টার ছিলেন, থাকেন ঢাকায়। আমার ফুপা মুন্সী শামসউদ্দিন আহমে ছিলেন দহকুলা গ্রামে একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। লালিয়া আপা আমার থেকে ৫ বৎসরের বড় হলেও কুষ্টিয়াতে প্রায় আন্তরিকতার সাথে পারিবারিক আলাপ চারিতা হতো। বান্ধবী ও বড় বোন হিসাবে
পাই ইউনিভার্সিটি জীবনে। ইউনিভার্সিটিতে বিভিন্ন কাজে ঘুরাফেরা করায় তাহার আন্তরিকতার শেষ ছিল না। তাহার সাথে মিশতে মিশতে তাহাকে বুঝতে শিখেছি। অনুভব করতে পেরেছি ধর্মীয় চেতনায় আর ভালবাসা সিক্ত আমার এই বোন প্রতি রহিল আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালবাসা। এই কামনায় শেষ করছি আজকের এই স্মৃতি চারণ পর্ব।
অনেক ছোট থেকে জানি ‘লালিয়া আপা’ আমার ফুপাতো বোন। তাহার শৈশব ও কৈশর কেটেছে গাছপালা আর লতাপাতা ঘেরা দহকুলা গ্রামে। বড় হয়েছেন কুষ্টিয়া জেলায়। একমাত্র ভাই মুন্সি শাহাজাহান বাদশা রেজিষ্টার ছিলেন, থাকেন ঢাকায়। আমার ফুপা মুন্সী শামসউদ্দিন আহমে ছিলেন দহকুলা গ্রামে একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। লালিয়া আপা আমার থেকে ৫ বৎসরের বড় হলেও কুষ্টিয়াতে প্রায় আন্তরিকতার সাথে পারিবারিক আলাপ চারিতা হতো। বান্ধবী ও বড় বোন হিসাবে
পাই ইউনিভার্সিটি জীবনে। ইউনিভার্সিটিতে বিভিন্ন কাজে ঘুরাফেরা করায় তাহার আন্তরিকতার শেষ ছিল না। তাহার সাথে মিশতে মিশতে তাহাকে বুঝতে শিখেছি। অনুভব করতে পেরেছি ধর্মীয় চেতনায় আর ভালবাসা সিক্ত আমার এই বোন প্রতি রহিল আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালবাসা। এই কামনায় শেষ করছি আজকের এই স্মৃতি চারণ পর্ব।
ইকরাম-উল-হক
কাঞ্চনপুর, হরিরানপুর
কুষ্টিয়া
(১৯৫৪- ২০১০ ইং)
ইকরাম-উল-হক, জন্ম গ্রহণ করেন কাঞ্চনপুর গ্রামে ১৯৫৪ সালের দিকে। তিনি ছিলেন আমার মেঝে ফুপুর বড় জামাই অর্থ্যাৎ আমার ফুপাতো দুলাভাই। সদ্য হাস্যোজ্জল এই মানুষটি ক্যাডেট কলেজ থেকে ঐ.ঝ.ঈ সম্পন্ন করে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। পাকিস্তান বিভক্তে পূর্বে, পশ্চিম পাকিস্তানে সেনাবাহিনীতে ঈধঢ়ঃধরহ পদে চাকুরী রত থাকলেও দেশ বিভক্তির কারণে চাকুরী হারিয়ে ফেলেন।
তারপর ঢাকাতে বিভিন্ন সংস্থায় চাকুরী করেন। অসম্ভব বুদ্ধিমান ও ভাল ইংরেজী পারদর্শিতার কারনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করেন। হংকং এ কাটিয়ে দেন কয় এক বছর। তারপর চলে যান আমেরিকা এর ক্যালিফোর্নিয়াতে। লস এঞ্জেলস নগরীতে ৩/৪ বছর থাকার পর দেশে ফিরে আসেন এবং বাকী জীবন কাটিয়ে দেন নিজ পরিবারের সাথে- শুশুরবাড়ী দহকুলায়। তাহার সহ ধর্মিনী হিরা আপা আমার ফুপাতো বোন একজন চমৎকার মানুষ। এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন এই একরাম-উল-হক।
২০১০ সালে আগষ্ট মাসে হার্ড-ষ্ট্রোক করে হঠাৎ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না—— রাজেউন)। আমি তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।
ইকরাম-উল-হক, জন্ম গ্রহণ করেন কাঞ্চনপুর গ্রামে ১৯৫৪ সালের দিকে। তিনি ছিলেন আমার মেঝে ফুপুর বড় জামাই অর্থ্যাৎ আমার ফুপাতো দুলাভাই। সদ্য হাস্যোজ্জল এই মানুষটি ক্যাডেট কলেজ থেকে ঐ.ঝ.ঈ সম্পন্ন করে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। পাকিস্তান বিভক্তে পূর্বে, পশ্চিম পাকিস্তানে সেনাবাহিনীতে ঈধঢ়ঃধরহ পদে চাকুরী রত থাকলেও দেশ বিভক্তির কারণে চাকুরী হারিয়ে ফেলেন।
তারপর ঢাকাতে বিভিন্ন সংস্থায় চাকুরী করেন। অসম্ভব বুদ্ধিমান ও ভাল ইংরেজী পারদর্শিতার কারনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করেন। হংকং এ কাটিয়ে দেন কয় এক বছর। তারপর চলে যান আমেরিকা এর ক্যালিফোর্নিয়াতে। লস এঞ্জেলস নগরীতে ৩/৪ বছর থাকার পর দেশে ফিরে আসেন এবং বাকী জীবন কাটিয়ে দেন নিজ পরিবারের সাথে- শুশুরবাড়ী দহকুলায়। তাহার সহ ধর্মিনী হিরা আপা আমার ফুপাতো বোন একজন চমৎকার মানুষ। এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন এই একরাম-উল-হক।
২০১০ সালে আগষ্ট মাসে হার্ড-ষ্ট্রোক করে হঠাৎ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না—— রাজেউন)। আমি তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।
মোঃ ইসলাম মিয়া
গ্রাম: নগরকয়া, পোষ্ট: পান্টি,
কুমারখালী, কুষ্টিয়া
(প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত)
একজন মানুষকে যদি মূল্যায়ন করতে হয় তবে তার পরিচয় হয় তার আচার ব্যবহার সততা ও ন্যায় নিষ্ঠার উপর। এই সমস্ত হাজারো প্রশ্নের যদি উত্তর খোঁজা হয় তবে যে নামটি খুঁজে পাওয়া যাবে তা হলো মোঃ ইসলাম মিয়া। সে আমার ফুপাত ভাই, আমাদের বংশের প্রথম প্রদীপ (বাতি)
তিনি সর্বদা সচেষ্ট কি করে গরীব ও দুঃখী মানুষের দুঃখ দুর করা যায়। কিভাবে একজন মানুষের বিপদের সময় পার্শ্বে এসে দাঁড়াতে হয়, অন্যের দুঃখ কষ্টকে ভাগ করে নিতে হয়। তাই তো এলাকার মানুষ তাকে একজন সাদা মনের আদর্শ মানুষ হিসাবে জানে এবং স্থানীয় প্রতিনিধি হিসাবে মূল্যায়ন করেন।
চার ভাই এক বোনের মধ্যে ইসলাম মিয়া সবচেয়ে বড় সন্তান। ২য় ভাই মসলেম মিয়া একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী, ৩য় ভাই মো: আলাউদ্দিন পান্টি বাজারে নামকরা ব্যবসায়ী, আর এক মাত্র ছোট ভাই ঠান্ডু থাকেন কুষ্টিয়া শহরে। মোঃ ইসলাম মিয়া দুই সন্তানের জনক এবং ভাবী একজন আদর্শ গৃহকর্মী। পারিবারিক এবং সামাজিক জীবনের একজন সুখী ব্যক্তি। আমি তার পারিবারিক জীবনের সাফল্য কামনা করে শেষ করছি।
একজন মানুষকে যদি মূল্যায়ন করতে হয় তবে তার পরিচয় হয় তার আচার ব্যবহার সততা ও ন্যায় নিষ্ঠার উপর। এই সমস্ত হাজারো প্রশ্নের যদি উত্তর খোঁজা হয় তবে যে নামটি খুঁজে পাওয়া যাবে তা হলো মোঃ ইসলাম মিয়া। সে আমার ফুপাত ভাই, আমাদের বংশের প্রথম প্রদীপ (বাতি)
তিনি সর্বদা সচেষ্ট কি করে গরীব ও দুঃখী মানুষের দুঃখ দুর করা যায়। কিভাবে একজন মানুষের বিপদের সময় পার্শ্বে এসে দাঁড়াতে হয়, অন্যের দুঃখ কষ্টকে ভাগ করে নিতে হয়। তাই তো এলাকার মানুষ তাকে একজন সাদা মনের আদর্শ মানুষ হিসাবে জানে এবং স্থানীয় প্রতিনিধি হিসাবে মূল্যায়ন করেন।
চার ভাই এক বোনের মধ্যে ইসলাম মিয়া সবচেয়ে বড় সন্তান। ২য় ভাই মসলেম মিয়া একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী, ৩য় ভাই মো: আলাউদ্দিন পান্টি বাজারে নামকরা ব্যবসায়ী, আর এক মাত্র ছোট ভাই ঠান্ডু থাকেন কুষ্টিয়া শহরে। মোঃ ইসলাম মিয়া দুই সন্তানের জনক এবং ভাবী একজন আদর্শ গৃহকর্মী। পারিবারিক এবং সামাজিক জীবনের একজন সুখী ব্যক্তি। আমি তার পারিবারিক জীবনের সাফল্য কামনা করে শেষ করছি।
মোঃ মসলেম মিয়া
নগর কয়া।
পান্টি, কুমারখালী,
কুষ্টিয়া
(প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত)
মোঃ মসলেম মিয়া থাকেন নগরকয়া গ্রামে- সম্পর্কে আমার ফুপাত ভাই। মেঝে ফুপার ২য় সন্তান এই মসলেম ভাই। একজন চমৎকার মানুষ।
ব্যবসায়ী হিসাবে নিজেকে কিভাবে গড়তে হয় সেটা তিনি খুব ভাল জানেন। তাঁর চলাফেরা আলাপ চারিতা ব্যবহার সবকিছুই খুব সুন্দর
প্রকৃতি। তাহার বড় ভাই ইসলাম এক অন্যরকম ভাল মানুষ। সমাজে সমস্ত রকম সমস্যা সমাধানে তিনি সচেষ্ট। আর ছোট ভাই আলাউদ্দিন পান্টি বাজারে এক স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। যার কোন তুলনা নেই। সবমিলিয়ে এই পরিবারটি নগরকয়া গ্রামের আদর্শ এক পরিবার। অর্থবিত্ত, সামাজিক অবস্থান সবার শীর্ষে। আমি সবার জন্য শুভকামনা করে শেষ করছি।
মোঃ মসলেম মিয়া থাকেন নগরকয়া গ্রামে- সম্পর্কে আমার ফুপাত ভাই। মেঝে ফুপার ২য় সন্তান এই মসলেম ভাই। একজন চমৎকার মানুষ।
ব্যবসায়ী হিসাবে নিজেকে কিভাবে গড়তে হয় সেটা তিনি খুব ভাল জানেন। তাঁর চলাফেরা আলাপ চারিতা ব্যবহার সবকিছুই খুব সুন্দর
প্রকৃতি। তাহার বড় ভাই ইসলাম এক অন্যরকম ভাল মানুষ। সমাজে সমস্ত রকম সমস্যা সমাধানে তিনি সচেষ্ট। আর ছোট ভাই আলাউদ্দিন পান্টি বাজারে এক স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। যার কোন তুলনা নেই। সবমিলিয়ে এই পরিবারটি নগরকয়া গ্রামের আদর্শ এক পরিবার। অর্থবিত্ত, সামাজিক অবস্থান সবার শীর্ষে। আমি সবার জন্য শুভকামনা করে শেষ করছি।
Relative(Father Side)













Previous
Next
Photo
- Amily Family,AUSTRALIA–6380(10)
- Runi. Sarker Family,USA-6380(11)
- Mahtab Sarker Family,Kushtia-6380(13)
- Rumi Sarker Family,Dhaka-6380(14)
- Badana Apa New York USA-6380(15)
- Najmol Family, Balgashi-6380(16)
- Badsha Bhahi Family Dhakhula-6380(17)
- Fufa-Bari,Family Nagarkaya-6380(19)
- Father Side Relative-6380(21)
- All Relative(Cutting) Photo–6380(22)
- Other Cutting Photo-6380(23)
- Peru Family,Kumarkhali-6389 (25)
- Sony’s Marrage Photo-6380(61)
- Juli’s Photo-6380(62)
- Sony’s Daughter-6380(63)
- Sachu Bhai Family,Shaduhati-6380(67)
- Razu Family,Moti Mia Rail Gate,Kushtia-6380(68)
- Bari,Family,.Kumarkhali-6380(69)
- Shamim Rahman Family,Rajshahi-6380(70)
- Razul Karim,Family,Kushtia–6380(81)
- Ex-im Bank Officer-6380(83)
- Pitu,Family,,Pragpur-6380(85)
- Poor Related Relative,-6380(86)
- Mama,Family,,Magura-6380(88)