





Service Friend










Article (3)
- Mahbub Murshid-32
- Mahfuzur Rahman-76
- Mahbub Mostofa-77
- Mahmud Hafiz-11
- Masud Rana-36
- Mokbul Hossain-07
- Mominul Islam-06
- Monirul Islam Monir-84
- Moniruzzaman Mia-100
- Moniruzzaman Molla-97
- Monjurul Haqur Monju-75
- Mortuza Kamal Hayat-98
- Motahar Hossain-64
- Mukul Marma-45
- Nazibor Rahman-43
- Noren-37
- Nurul Islam-10
- Rabiul Islam Jui-59
- Rabiul Islam-69
- Rafiqul Islam-60
- Rakibul Hasan Mia-46
- Rakibul Islam-50
- Ranjon Nath Pando-27
- Rasheduzzaman-24
- Rathin Pollob Chakrabarti-41
- Blank – 1
প্রকৌঃ এ,এফ,এম আরিফুল করিম

প্রকৌঃ এ,এফ,এম আরিফুল করিম
নির্বাহী প্রকৌশলী
স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (HED)
ও
সালগাড়িয়া, সদর, পাবনা
(১৯৯৭-শেষ পর্যন্ত)

এ, এফ, এম আরিফুল করিম জন্ম গ্রহণ করেন পাবনা জেলায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১১ই আগষ্ট ১৯৬০ ইং তারিখে। শৈশব কাল কেটেছে রাজশাহী নগরীতে বাবার চাকুরী সুবাদে।

১৯৭৫ সালে বগুড়া জিলা স্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে ঝ.ঝ.ঈ পাশ করেন এবং ১৯৭৭ সালে বগুড়া আজিজুল হক কলেজ থেকে ঐ.ঝ.ঈ সম্পন্ন করেন। ততঃপর খুলনা প্রকৌশল মহা-বিদ্যালয় (বর্তমান কুয়েট)

হইতে ১৯৮৩ সালে ই.ঝপ. ঊহমৎ. ঈরারষ ডিগ্রী অর্জন করেন এবং ঈগগট (বর্তমান ঐঊউ) তে ২৮শে নভেম্বর ১৯৮৪ ইং তারিখে যোগদান করেন। প্রচন্ড স্মার্ট ও অস্বাভাবিক সুন্দর মনের এই প্রকৌশলীকে সহকর্মী হিসেবে প্রথম পরিচয় হয় খুলনাতে ২০০১ সালে তখন তিনি বাগেরহাট জেলায় সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন। তাহার সংস্পর্ষে এসে শিখেছি কিভাবে ভবিষ্যৎ এর স্বপ্ন দেখতে হয়। কিভাবে জীবনকে সাজাতে হয়, অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে কিভাবে মোকাবেলা করতে হয়? অসম্ভব মেধাবী এই প্রকৌশলীর অধীনে চাকুরী করার

সুযোগ মেলে ১৩ই মার্চ ২০১৩ ইং তারিখ দ্বিতীয়বার। তখন তিনি আমার ইড়ংং, যশোর বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী। তার কাছ থেকে পেয়েছি কাজ কর্ম ও অফিস পরিচালনার সুযোগ্য নির্দেশাবলী যা হয় তো আমার জীবনের নতুন মাত্রা সংযোজন করবে। তার শশুর বাড়ী কুষ্টিয়ার থানাপাড়া

আমার নিজের বাড়ীর পার্শ্বে হওয়ায় আমার প্রতি তাহার ভালবাসা সবচেয়ে বেশি। আমি সব সময় তাহার সাফল্যতা দেখেছি, কোন ব্যর্থতা চোখে পড়েনি। তার সবচেয়ে বড় গুন পর উপকারীতা ও একজন অপরিচিত মানুষকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে তার মন জয় করে আপন করে নেয়ার ক্ষমতা।

যা খুব কম ব্যক্তির মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। তাই তো সৃষ্টিকর্তা তাকে প্রচুর অর্থ, মান মর্যাদা ও ক্ষমতা দিয়েছেন। এক কথায় তিনি তার জীবনে সমস্ত কিছুই একত্রে সমন্বয় করতে পেরেছেন তাই তাকে আমি স্বার্থক পুরুষ হিসেবে মনে করি।
আমি তার জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে আরও অধিকতর মর্যদা এবং তার জীবন আরও সুন্দর ও সু-স্বাস্থ্য হোক এই কামনা করছি।

প্রকৌঃ মোঃ মনিরুজ্জামান

প্রকৌঃ মোঃ মনিরুজ্জামান
নির্বাহী প্রকৌশলী
স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (HED)
ও
শৈলকুপা, ঝিনাইদহ
(১৯৮২- ২০১৪ পর্যন্ত)

মোঃ মনিরুজ্জামান জন্ম গ্রহণ করেন ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলায় বেনীপুর গ্রামে ২৯শে সেপ্টেম্বর ১৯৫৫ ইং তারিখে। এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। পিতা মৃত- আব্দুল গণি মিয়া এলাকার একজন সুনামযোগ্য ব্যক্তি। মাতার নাম মৃত- জমেলা খাতুন। তিনি ১৯৭২ ইং সালে বেনীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে কৃতিত্বের সাথে ঝ.ঝ.ঈ পাশ করেন এবং ১৯৭৪ সালে ঝিনাইদহ কে,সি কলেজ হতে ঐ.ঝ.ঈ সম্পন্ন করেন। তারপর ১৯৭৯ ইং সালে রাজশাহী প্রকৌশল মহাবিদ্যালয় (বর্তমান রুয়েট) হতে ই.ঝপ ঊহমৎ. (ঈরারষ) ডিগ্রী অর্জন কেরন।

তার কর্মজীবনে প্রথম দিকে বেসরকারী চাকুরী দিয়ে শুরু হলেও ১৩-০৭-১৯৮২ইং সালে তৎকালীন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর অধীনে ঈগগট (বর্তমানে ঐঊউ) এর সহকারী প্রকৌশলী হিসাবে যোগদান করেন। বর্তমানে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ঐঊউ) এর নির্বাহী প্রকৌশলী হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।
অসম্ভব সুন্দর মনের মানুষ এবং সৃষ্টিকর্তার আশির্বাদপুষ্ট এই ব্যক্তির অধীনে তিনবার কাজ কর্ম, চাকুরী করার সুযোগ পেয়েছি। তাই আমি তাকে খুব কাছে থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি। আমি তার জীবনে কোন ব্যর্থতা দেখিনি। নিজের জীবন কর্মক্ষেত্র ও অধীনস্থ সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে কিভাবে সুন্দর করে পরিচালনা করতে হয়, স্নেহ মমতা দিয়ে ভালবাসতে হয় সবকিছুই তার জানা আছে। সামাজিক মর্যাদা, মান-সম্মান, অর্থবিত্ত সমস্ত কিছুই তিনি সমন্বয় করতে পেরেছেন।

তিনি ১৯৮৪ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে যশোর এর নিবাসী মোছাঃ ইসমত আরা এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এক মেয়ে ও এক ছেলের জনক মোঃ মনিরুজ্জামান। বড় মেয়ে নওরিন শাহারিয়ার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (ইটঊঞ) এর ছাত্রী আর ছোট ছেলে মোঃ ফারহান তানভীর মিয়া স্কুলে পড়াশুনা করেন।
আমি তার জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে আরও অধিকতর মর্যাদা ও চাকুরীর পর অবসর জীবন সুস্থ ও আরও সুন্দর হোক এই কামনা করছি।

প্রকৌঃ মোঃ আব্দুল আজিজ

প্রকৌঃ মোঃ আব্দুল আজিজ
জোনাল প্রকৌশলী
শহিদুল্লাহ এন্ড এসোসিয়েট লিঃ
ও
আসাম কোলনী (রবের মোড়)
শালবাগান, রাজশাহী
(১৯৯৫-৯৬ ইং পর্যন্ত)

মোঃ আব্দুল আজিজ সাহেব ছিলেন রাজশাহী পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট এর প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল ও বর্তমান শহিদুল্লাহ এসোসিয়েট লিঃ এর রাজশাহীর জোন এর জোনাল ইঞ্জিনিয়ার। ১৯৯৫ সালের ১লা অক্টোবর আমি অৎবধ ঊহমৎ. হিসেবে, তার অধীনস্থ রাজশাহী এরিয়াতে যোগদান করি তখন এই কঠোর নৈতিক দায়িত্ব সম্পন্ন অসম্ভব সৎ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত মোঃ আব্দুল আজিজ সাহেব এর সাথে পরিচয় হয়। তার অধিনে ৩০শে অক্টোবর ১৯৯৬ ইং পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ হয়।

তিনি ছিলেন অসম্ভব জ্ঞানী ব্যক্তি। কাজের মাঝে সব সময় উপদেশ দিতেন, “সততা একটি মহৎ গুন” ব্যক্তি জীবনে, সমাজ জীবনে সর্বত্রই সততার গুরুত্ব অপরিসীম। সততা ছাড়া দুনিয়াতে কেউ কখনও উন্নতি লাভ করতে পারেনি। অতীতে সততার অভাবে বহু ব্যক্তি, বহু জাতি এবং রাষ্ট্র ধবংসপ্রাপ্ত হয়েছে। সাময়িক ভাবে কেহ অসৎ জীবন যাপন করে উন্নতি লাভ করলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। তাই তিনি সর্বদাই কামনা এবং আমার জন্য উপদেশ দিতেন সৎ জীবন যাপন করার জন্য। সৎ জীবন যাপনের জন্য আজ আমি তাকে স্মরণ করছি।

প্রকৌঃ মোঃ আনোয়ারুল হক

প্রকৌঃ মোঃ আনোয়ারুল হক
B.Sc. Engr (Raj) M.Tc (India) Phd (Buet & Canada)
সহকারী অধ্যাপক, পুর কৌশল বিভাগ
প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
৮/২ গিজানাথ মজুমদার রোড,
কমলাপুর, কুষ্টিয়া
(১৯৮৯-৯৪ ইং পর্যন্ত)

আমার কলেজ জীবনের বন্ধুর বড় ভাই ও একই জেলার বাসিন্দা, রাজশাহী বিআইটির সবচেয়ে স্মার্ট, অসম্ভব সুন্দর চেহারার অধিকারী এবং সুন্দর ব্যবহার স¤পন্ন এই মানুষটির নাম মোঃ আনোয়ারুল হক। যার সততা ও অধ্যবসায় ছিল জীবনের মূল ধন। কখনও কোন অ-নিয়মের নিকট মাথা নত করেননি। তাই তো তাঁকে বিআইটির শিক্ষকতার জীবন ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নতুন ও উন্নত কর্মের জন্য।

তিনি ছিলেন আমার জীবনের আদর্শ শিক্ষক, আমি তাঁকে শ্রদ্ধা করি, ভালবাসি, তাই তাঁর জন্য রইলো আমার দোয়া।

প্রকৌঃ রথীন পল্লব চক্রবর্তী

প্রকৌঃ রথীন পল্লব চক্রবর্তী
B.Sc Engr. (Mech)
উপ-ব্যবস্থাপক, টেক্সাটাইল লিঃ
ও
প্রযতেœ: দ্বীজেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী
থানাপাড়া, কুষ্টিয়া
(১৯৮৪- শেষ পর্যন্ত)

‘‘সে এক অন্য রকম জীবন যাপন- ভাঙ্গনের ধসের সঙ্গে জলের মধ্যে মেশা ,তারপর গড়তে চলতে চলতে, অন্য কোন পাড়ে অন্য কোন যৌবনে’’- হ্যাঁ এই হচ্ছে রথীন্দ্র পল্লব চক্রবর্তী সংঙ্গা। যার সাথে পরিচয় হয় ১৯৮৪ সালের কোন এক শীতের সকালে কুষ্টিয়া সরকারী কলেজ এ। কিন্তু বন্ধু ও রুম মেট হিসেবে পাই ইওঞ, জধলংযধযর তে ১ম বর্ষে।

রথিন ছিলেন বীজগণিতের সরল অংকের মতো সহজ- সরল সাদা মাটা-ব্যক্তি। যে বিষয়টি বেশী প্রশংসার দাবিদার সেটা হলো রথিন এর প্রেমিক হৃদয়। সে হৃদয়টাকে যে কোন মুল্যে মেয়েদের বিলিয়ে দিতে সে প্রস্তুত। কিন্তু অবুঝ ঘোলাটে মনের মেয়েরা এই ধরনের উজ্জল নক্ষত্র, স্মার্ট প্রকৌশলীকে মূল্যায়ন করতে পারল না। যদিও এই অভাবের কথা আমাকে বলেছিল-
উত্তরে আমি তাকে বলেছিলাম- ” A women is something both evil & good
But too complicated to understand.
An angel when loving, A devil when mad
A women can make you both happy & sed
A women, A women-
Oh what can she be when even?
She is she’s necessary”
কিন্তু সে উত্তর দিয়েছিল-
“বিশ্বের যত সুন্দর করিয়াছে দান,
অর্ধেক তার নারী আর অর্ধেক নর’’
অবশ্য, অবশেষে কিছু সংখ্যক বান্ধবী সে যোগাঢ় করতে পেরেছিল। কোন কোন ক্ষেত্রে রথীন এর মনটা ছিল পাটিগণিতের চক্রসুদের অংকের মত ঝামেলা পূর্ণ অর্থাৎ ঈড়সঢ়ষবী ঠধৎরধনষব কোন বিষয় খুব সহজেই মেনে নিত, আবার কিছু কিছু বিষয়ে সামান্য হলেও ঘোলা করে ফেলতো। উপায় না দেখে নিজেই ছেড়ে দিতে বাধ্য হতাম। ভাল মন্দ নিয়েই তো মানুষ। চাঁদেরও কলঙ্ক আছে।
আমি তার সুখী, সুস্থ ও দীর্ঘায়ু জীবন কামনা করে শেষ করছি এই স্মৃতি চারণ।

সবুজ আহমেদ

সবুজ আহমেদ
উপ-পরিচালক
জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো
ও
গ্রাম : চেংগাড়া, গাংনী
মেহেরপুর।
(১৯৮৫-২০১৩ ইং)।

সবুজ আহমেদ এর সাথে প্রথম পরিচয় হয় ১৯৮৫ সালে ২১ শে ফেব্র“য়ারী কুষ্টিয়া সরকারী কলেজে। কলেজ জীবন থেকে তাঁর সাথে সম্পর্ক হলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। বিআইটি এর মরুময় সেমিষ্টারের জীবন যখন অতিষ্ঠ হয়ে উঠত ,তখনই এক টুকরো সুখের আশায় ছুটে যেতাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার এই বন্ধুটি সবুজ এর কাছে। বিআইটি তে রাজনৈতিক সংঘর্ষ বাঁধলে, বা আঘাত হানলে একমাত্র আশ্রয় স্থান ছিল সবুজ এর কাছে। এই ভাবে বহু সময়, বহু দিন, বহু রাত কেটেছে সবুজ এর সংস্পর্শে। শুনেছি তার ভাল লাগা , ভালবাসা, আবেগ, অনুভূতি, যা আজ স্মৃতি হয়ে হৃদয়ে স্থান করে আছে।

কর্মজীবনে তাঁর সাফল্য সত্যই ঈর্ষান্বিত করে, তার সুন্দর ব্যবহার , মার্জিত কথাবার্তা, বন্ধুদের প্রতি ভালবাসা, সবকিছুই লক্ষ্য করার মতো। আমি জানি জীবনে তিনি বহুদুর এগিয়ে যাবে। তাঁর জন্য রইল এক গুচ্ছ লাল গোলাপ এর শুভেচ্ছা।


প্রকৌঃ তৌহিদুল হক জোয়ার্দ্দার
সহকারী প্রকৌশলী (উপজেলা প্রকৌশলী )
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED)
ও
প্রযতেœ: এহসানুল হক জোয়ার্দ্দার
বড় আইলচারা, পোড়াদহ, কুষ্টিয়া।
(১৯৮৫- শেষ ইং)

বাংলা অভিদানে “ভালবাসা” শব্দের অর্থ ১) কারো প্রতি অনুরক্ত হওয়া, ২) প্রীতি করা, ৩) পছন্দ করা (এই পছন্দ হতে পারে দেশকে, বন্ধুকে, বাবাকে, কাজকে, ফুলকে— ইত্যাদি)।
‘সখি ভালবাসা কারে কয়—- রবীন্দ্র সঙ্গীতটিকে ভালবাসাকে কবি ‘ফুল’ জোৎস্নার আলো, আকাশের তারা ইত্যাদির সাথে তুলনা করেছেন।
স্বামী ভালবাসে তার ‘বিশ্বাসী পতœীকে’ পতœী ভালবাসে স্বামীর মুক্ত মনের ব্যক্তিত্বকে। কবি ভালবাসে ‘ফুলকে’, ফুল ভালবাসে তার সৌন্দর্য্য সবাইকে উপহার দিয়ে ঝরে যাওয়াকে, পিতা-মাতা ভালবাসে সন্তানকে তার বাধ্য করে রাখতে, সন্তান ভালবাসে পূর্ণ স্বাধীনতাকে। ডাক্তার ভালবাসে রোগীর আগমনকে, রোগী ভালবাসে রোগ মুক্ত হতে। প্রেমিক ভালবাসে প্রেমিকার মুখের মিষ্টি হাসি, প্রেমিকা ভালবাসে প্রেমিকের পকেট ভারী থাকা দেখতে।

মন্ত্রীরা ভালবাসে দেশবাসীকে প্রতিশ্র“তি দিতে। রাজনীতিবিদরা ভালবাসে তাদের বড় ভাইদের (?) অলৌকিক ক্ষমতাকে, বড় ভাইরা (?) ভালবাসে দুর হতে মস্তানদের চালনা করতে। আমি ভালবাসি তৌহিদুল হক জোয়ার্দ্দারকে তার মুক্ত মনের উদারতাকে, তার নতুনত্বকে, তার হৃদয় আকর্ষণ করার অভাবনীয় ক্ষমতাকে। কলেজ জীবন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বিআইটি) জীবন, চাকুরী জীবন সমস্ত জায়গায় জড়িয়ে আছে তাহার ভালবাসার অস্তিত্ব। রক্তে মিশে আছে তার বন্ধুত্ব।
জানি না আমার এই ভালবাসার মূল্য পাবো কি অদুর ভবিষ্যতে?


প্রকৌঃ জাকির হোসেন
সহকারী প্রকৌশলী
স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (HED)
ও
গ্রাম : গোয়ালপাড়া, পোঃ ঠাকুর গাঁও,
সদর, ঠাকুর গাঁও ।
(১৯৮৯- শেষ পর্যন্ত)

প্রকৌঃ মোঃ জাকির হোসেন জন্ম গ্রহণ করে বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তর এলাকায় ঠাকুর গাঁও জেলায় হিমালয় পাদ দেশে। তার জন্ম তারিখ ১০ই সেপ্টেম্বর ১৯৬৯ইং সালে। পিতার নাম মোঃ আব্দুল রাসেদ আর মাতার নাম মিসেস মাজেদা বেগম। হিমালয় পাদ দেশে জন্ম হওয়ায় সে হিমালয় এর মত উদার মনের অধিকারী। ঠাকুর গাঁও থেকে ১৯৮৪ সালে ঝ.ঝ.ঈ সম্পন্ন করে এবং ১৯৮৬ সালে ঐ.ঝ.ঈ সম্পন্ন করে। তারপর ভর্তি হয় রাজশাহী বিআইটিতে। ২য় বর্ষে এসে আমি তাঁকে ক্লাসমেট হিসেবে পাই। অত্যন্ত ভদ্র ও ্উদার মনের অধিকারী এই বন্ধু থাকতেন আমার পাশের রুমে,

সেলিম হলে। আমরা একত্রে পড়াশুনা করতাম, ক্লাসে যেতাম, খেলাধুলা, ঘুরে বেড়ানো সহ অনেক স্মৃতি রয়েছে তার সাথে। আমরা একত্রে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী অর্জন করি তারপর একত্রে ঈগগট তে ২রা নভেম্বর ১৯৯৬ ইং তারিখে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করি এবং আমরা একত্রে ইঞ্জিনিয়ারিং ষ্টাফ কলেজে ট্রেনিং প্রাপ্ত হই। ১৯৯৮ সালে প্রকৌঃ জাকির

। ১৯৯৮ সালে প্রকৌঃ জাকির হোসেন মিসেস শামীমা আলীম এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তার বড় ছেলের নাম মোঃ সামিন শাদমান জন্ম গ্রহণ করে ৫ই মার্চ ১৯৯৯ইং তারিখে। পরবর্তীতে ১লা জুন ২০০৫ ইং তারিখে জমজ ২টা সন্তান জন্ম গ্রহণ করে নাম মোঃসাকিব শাদমান ও মোঃ সালিম সাদমান।
আমি এই সুখী ও সুন্দর দাম্পত্য পরিবারের জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট আরও অধিকতর মর্যাদার জন্য দোয়া করছি।

Other Friend





Article (4)
- Raton Lal Dash-48
- Rokonuzzaman Pollob-21
- S.M Masukul Alam Aurop-83
- Sabuz Ahmed-17
- Saiful Islam-61
- Saifur Rahman Mithu-81
- Saukat ALi-62
- Shafiqul Islam-40
- Shah Alam-63
- Shahabuddin-58
- Shaharul Alam-65
- Shahidul Alam-23
- Shahidul Islam Shahid-20
- Shahidul Islam-05
- Shahidul Islam-34
- Shamim Ahmed Khan-66
- Shamsul Alam-67
- Shirajul Islam-14
- Shohidul Islam-68
- Shoyeb Ahmed-70
- Tauhidul haque Joarder-25
- Titon-15
- Uttam-53
- zahidur Rahman-04
- Zakir Hossain-12
- Zakir Hossain-95